টিএন্ডটি স্কুলে ইন্টারনেট বিহীন ডিজিটাল পাঠদান চালু করলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী
দেশে বিটিসিএল পরিচালিত টিএন্ডটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইন্টারনেট বিহীন ডিজিটাল পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক ঢাকার বনানী টিএন্ডটি বয়েজ হাইস্কুলের প্রি-স্কুল থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত এই শিক্ষাকার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দুই বছরের মধ্যে টিন্ডটির বাকি ৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক হাজার ৯শত ৭০ জন ছাত্র-ছাত্রী জিটাল শিক্ষার আওতায় আসবে।
বুধবার নিজের তৈরি বিজয় ডিজিটাল কনটেন্টের সফটওয়্যার ফ্রি দিয়ে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
বিটিসিএল, হুয়াওয়ে এবং বিজয় ডিজিটাল এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ভার্চুয়্যাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মো: নূর-উর-রহমান, বিটিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর হেড অব অফিস বিয়্যাট্রিস কালদুন, বিজয় ডিজিটাল এর প্রধান নির্বাহী জেসমিন জুই, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ঝাং ঝেংজুন, বনানীর টিএন্ডটি বয়েজ হাইস্কুলের অধ্যক্ষ হালিমা বেগম ,শিশু শিক্ষার্থী লিমন খান এবং অভিভাবক লাকী বেগম বক্তৃতা করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য দীর্ঘ তিন যুগ ব্যাপী কাজ করে যাচ্ছি। ১৯৯৯ সালে গাজীপুরে ১৩ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের যাত্রা শুরু করি। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী সেটি উদ্বোধন করেছিলেন, যা বর্তমানে বেড়ে ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে।
ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে মন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ পথ চলার চ্যালেঞ্জ সমূহ তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারের সবচেয়ে বড় দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ডিভাইস এবং কনটেন্ট। অবশ্য গত ১১ বছরে বিজয় ডিজিটালের সিইও জেসমিন জুই কনটেন্ট বিষয়ক চ্যালেঞ্জটি তার ২০জন দক্ষ সহযোদ্ধাকে নিয়ে অত্যন্ত সফল জনকভাবে মোকাবেলা করতে পেরেছেন। প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তকের কনটেন্ট তৈরি করে শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি তুলে দিতে পেরেছেন। বিনা টাকায় করোনাকালে শিক্ষার্থীরা এই কনটেন্টটি এখন পাচ্ছেন। অন-লাইন থেকে শিক্ষক ও অভিভাবকরা ডাউন লোড করে তাদের সন্তানদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।